তাজা খবর
৩ আসনেই খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল

৩ আসনেই খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-১ আসনের পর বগুড়া-৬ ও ৭ আসনেও কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। আজ রবিবার পৃথকভাবে ওই তিন আসনে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয় বলে জানা গেছে।

ফেনী-১ আসন : রবিবার সকালে যাচাই-বাছাই কমিটির প্রথম অধিবেশনে ফেনী-১ আসনের আবেদনগুলো দিয়ে যাচাই-বাছাই কাজ শুরু হয়। ১৪টি মনোনয়নপত্রের আদেশ দেয়ার পর ১৪তম আবেদনটি ছিল খালেদা জিয়ার। বিএনপি চেয়ারপারসনের মনোনয়নপত্রের সকল কাগজ-পত্র সঠিক পাওয়া গেলে সভায় বিভিন্ন সংস্থার কাছে কোনো আপত্তি আছে কিনা জানতে চান রিটানিং অফিসার। তখন পুলিশের পক্ষ থেকে ডিএসবি ডিআইওয়ান ইন্সপেক্টর শহিনুজ্জামান জানান- খালেদার জিয়ার বিরুদ্ধে ২টি মামলায় ৭ ও ১০ বছর সাজা রয়েছে মর্মে কাগজ রয়েছে। পরে জেলা রিটানিং অফিসার গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ৭২ এর ১৪ ধারার বিধান মতে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করেন।

বগুড়া-৬ আসন : বগুড়া-৬ (সদর) আসনেও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। রবিবার দুপুরে বগুড়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

বগুড়ার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বগুড়া-৭ আসন : ফেনী-১ ও বগুড়া-৬ আসনের পর বগুড়া-৭ আসনেও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। গাবতলী-শাজাহানপুরের এই আসনে খালেদা জিয়ার পাশাপাশি তার বিকল্প প্রার্থী গাবতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মোরশেদ মিল্টনের মনোনয়নপত্রও বাতিল করে দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ফয়েজ আহম্মদ বলেছেন, মিল্টন উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও তা গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে মিল্টন এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

খালেদা ও মিল্টনের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় বগুড়া-৭ আসনে ধানের শীষের কোনো প্রার্থী থাকল না।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদাকে ৫ বছরের দণ্ড দেন আদালত। এরপর ওইদিন থেকেই ঢাকার পুরান কারাগারে বন্দি রয়েছেন তিনি। পরে গত ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সাজা কমানোর আবেদন করেন খালেদা জিয়াসহ তিন আসামি। কিন্তু গত ৩০ অক্টোবর তা খারিজ করে খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*