তাজা খবর
সোনালির কি ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ?

সোনালির কি ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ?

মুম্বাই ফিরেছেন সোনালি বেন্দ্রে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে কয়েক মাস ধরে ঘাতক ব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন। যে অসুখে মানুষ আশা হারায়, সেই অসুখের সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে আছেন তিনি এখনো। বলা যায়, বিজয়ী হয়েছেন তিনি। এবার তাঁর বাড়ি ফেরার পালা। বাড়ি ফেরার আনন্দে ইনস্টাগ্রামে এক বিরাট পোস্ট লিখেছেন বলিউডের সাবেক তারকা সোনালি বেন্দ্রে।

‘ক্যানসার’ কত ছোট একটা শব্দ। দুঃস্বপ্নের মতো সেটি মানুষের জীবনে জড়িয়ে যায়। বেশ লম্বা সময় ধরে এ রোগের সঙ্গে বাস করেছেন সোনালি। ভেঙে পড়েননি। অসুস্থতার সময়টুকু তিনি হাসিমুখেই কাটিয়েছেন। আর সেটা এখন বহু সুস্থ মানুষের জন্যও অনুপ্রেরণার। ক্যানসার-ফেরত সোনালির যুদ্ধ তবে শেষ? নাকি এটি এক স্বল্প সময়ের বিরতি মাত্র?

সোনালি বেন্দ্রের কাছের একটি সূত্র জানিয়েছে, জীবনের ওপর ক্যানসারের কোনো প্রভাব ফেলতে দেননি তিনি। সাহস করে কর্কট রোগের সঙ্গে লড়ে বিজয়ী হয়েছেন। চিকিৎসকেরা তাঁকে পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বন্ধু ও স্বজনদের অভাব বোধ করছিলেন বলে তিনি নিউইয়র্কে না থেকে ফিরেছেন মুম্বাই। এ সময় তাঁর জন্য ভীষণ আনন্দের। আর সোনালি বেন্দ্রে এখন এক মনোবলসম্পন্ন নারীর রোল মডেল। মর্যাদার সঙ্গে জীবনের কঠিনতম পরীক্ষা তিনি দিয়েছেন।

ক্যানসার ধরা পড়ার পর চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, লেখিকা ও টিভি তারকা সোনালি বেন্দ্রে তাঁর ভক্ত, অনুরাগী ও কর্মক্ষেত্রের স্বজনদের সহযোগিতা ও সমর্থন পেয়েছিলেন। যুদ্ধফেরত সোনালিকে নিয়ে এবার নিশ্চয়ই তাঁর প্রত্যাবর্তন উদ্‌যাপন করবেন তাঁরা। ইনস্টাগ্রামে নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রত্যাবর্তনের আনন্দ নিয়ে একটি পোস্ট লিখেছেন তিনি।

ইনস্টাগ্রামে সোনালি লিখেছেন, দূরত্ব অনুরাগ তৈরি করে। আবার দূরত্ব শেখায়ও। বাড়ি থেকে দূরে নিউইয়র্কে থাকতে থাকতে অনুধাবন করলাম, আমি অনেক ঘটনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। সেগুলো বিভিন্নভাবে নিজেদের অধ্যায়গুলো লিখতে চাইছে। কষ্ট হলেও তারা থামেনি। একদিন সেটা শেষ হবে। আমি ফিরছি, যেখানে আমার হৃদয় পড়ে আছে। এর অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। কিন্তু আমি করতে চাই। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হওয়া, নিজের প্রিয় কাজগুলো করার রোমাঞ্চ, সব থেকে বড় কথা হচ্ছে, এ পর্যন্ত টিকে থাকার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞ আমি। যুদ্ধ যদিও শেষ হয়নি এখনো, কিন্তু এই আনন্দময় বিরতিতে আমি খুশি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*