তাজা খবর
শীতে সানবার্ন থেকে বাঁচতে…

শীতে সানবার্ন থেকে বাঁচতে…

শীতের মিষ্টি রোদে অনেকেই গাঁ ভাসিয়ে বেড়ান! কারণ শীতকালে রোদ গায়ে লাগলে খুব আরাম লাগে। কিন্তু আপনি নিশ্চয়ই ভুলে যাচ্ছেন সান বার্নের বিষয়টি! শীতের রোদ যতই মিষ্টি হোক না কেন এ রোদে আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি থাকে। যেটা আমাদের ত্বকের কোষের ডি এন এ ক্ষতিগ্রস্থ করে থাকে।

এ রশ্মির কারণেই ত্বকে অল্প বয়সেই বার্ধক্যের ছাপসহ বলিরেখা ও ছোপ ছোপ দাগ পড়ে। আবার এ আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি আরো এক ধরণের রয়েছে। সেটা হলো আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি বি। এর রশ্মির কারণে ত্বকে লালচে ভাব হয়ে থাকে। মূলত এ কারণেই ত্বকে সানবার্ন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

ক্রমেই আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মির ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে।যতই সূর্য রশ্মি ত্বকে পড়বে ততই ত্বক বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এভাবে বেশি দিন চললে ত্বক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় এমনকি ত্বকে ক্যান্সারও হয়। ভ্রমণ পিপাসুরা শীতকাল ঘুরতে বের হন। সূর্য রশ্মি যখন বায়ুমন্ডলের মধ্য দিয়ে যায় তখন সেটা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে।

আর যখনই কোনো উঁচু স্থানে যাওয়া হয় বা পাহাড়ে যাওয়া হয়ে থাকে, সেখানে আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি অতিরিক্ত মাত্রায় ত্বকে প্রবেশ করতে পারে। শীতকালে অতি বেগুনি রশ্মি কিছুটা কম হয় কারণ সূর্যের রশ্মি সোজাভাবে পড়ে না। কিন্তু এ কম রশ্মিও সানবার্নের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারে না। তাই শীতকালেও ত্বকে সানবার্ন পড়ে থাকে।

যাদের গায়ের রঙ সাদা বা ফর্সা। তাদের ত্বক বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থাকে। তার মানে এই নয় যে, যাদের গায়ের রঙ কালো তাদের ত্বক পোড়ে না। তাই সব ধরণের মানুষকেই সানবার্নের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে যাতে স্কিন ক্যান্সার না হয়। এ জন্য বাইরে বের হওয়ার সময়র সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করা উচিত।

অনেক সময় ধরে যারা বাইরে থাকেন তাদের দু’ঘণ্টা পর পর সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। কারণ দুই ঘণ্টার মধ্যে এই ক্রিমের কার্যকারীতা অনেক কমে যায়। ব্রড স্পেক্টর সান ক্রিম ব্যবহার করা উচিত। কারণ এ ধরণের সান ক্রিমগুলো আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি এ ও বি দুটোর হাত থেকেই ত্বককে রক্ষা করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*